সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে লামার বর্তমান ও সাবেক দুই মেয়র প্রার্থী। আসন্ন নির্বাচনে জেতার ব্যাপারে দুজনেই শতভাগ আশাবাদী

0
271

                                        

জহিরুল ইসলাম (বর্তমান মেয়র)

জুমঝর্ণা : লামা পৌর নির্বাচনে EVM এ ভোট না হয়ে ব্যালট পেপারে  ভোট হবে -এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?

জহিরুল ইসলাম : সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের । কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে লামার নির্বাচন ব্যালটে হবে এতে আমাদের হস্তক্ষেপ করার কোন সুযোগ নাই।  ভোট যে পদ্ধতিতে ই হোক আমার কোন সমস্যা নাই। তাছাড়া পর্যায়ক্রমিক নির্বাচনে ব্যালট পেপারে নির্বাচনই বেশিরভাগ পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পশ্চাদপদ এলাকা বা অসচেতন জনগুস্টি অধ্যুষিত এলাকা বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্ত কে আমি ওয়েলকাম জানাই।

জুমঝর্ণা :জয়ের ব্যাপারে কতদূর আশাবাদী ?

জহিরুল ইসলাম  : আমরা জনগণের জন্য যে পরিমান কাজ করেছি ,সেবা করেছি , মাননীয় মন্ত্রী জনাব বীর বাহাদুরের সহযোগিতায় এবঙ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহোদয়ের সহযোগিতায়  যে পরিমান উন্নয়ন আমি করেছি , যেভাবে আমরা জনগনের পাশে ছিলাম অন্য কোন প্রার্থীর অতীতে তেমন নজির নেই। জনগনের যে কোন সমস্যায় , দুর্যোগে যেভাবে আমরা প্রতিনিয়ত তাদের পাশে ছিলাম সে হিসাবে  আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।

জুমঝর্ণা : মেয়র জহিরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম আর ব্যাক্তি জহিরুল ইসলাম, এ তিনের মধ্যে কে বেশি ভোটারের কাছে জনপ্রিয় হবে বলে আপনার ধারণা ?

জহিরুল ইসলাম : আমার সব পরিচয়ই জগনের কল্যানে নিবেদিত। সুতরাং কোন পরিচয় অন্য পরিচয় বা পদবি থেকে ভিন্ন নয় বরং পরিপূরক।

জুমঝর্ণা  :সকল সম্প্রদায় এবঙ গুষ্টির কাছে  দ্বিতীয় বারের মত আপনি কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবেন বলে মনে করেন ?

জহিরুল ইসলাম : এটাত পরীক্ষিত। যেহেতু  সবার সাথে সমন্বয় করে এতদিন আমি আমার কর্মকান্ড পরিচালনা করেছি , বিশেষত আমি এবঙ আমাদের পরিষদের সদস্যেবৃন্দ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভাবে সবার সাথে সমদৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করেছি  তাই সবার কাছেই আমি  নিজেকে সমান জনপ্রিয় বলে মনে করি।

জুমঝর্ণা : ব্যাক্তি জহিরুল ইসলাম আর মেয়র জহিরুল ইসলাম কাকে বেশি সার্থক বলে আপনি মনে করেন?

জহিরুল ইসলাম : ব্যাক্তি জহির।

জুমঝর্ণা : আপনাকে জুমঝর্ণার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

জহিরুল ইসলাম : আপনি এবং আপনার পত্রিকার সবাইকেও ধন্যবাদ।

আমির হোসেন (সাবেক মেয়র)

জুমঝর্ণা : লামা পৌরসভা নির্বাচনে EVM নয় বেলট পেপারে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?

আমির হোসেন : আমরা EVM এর জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে আবেদন করব এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন হোক তা চাইব। আমরা নির্বাচনে অনিয়ম তান্ত্রিক কোন পরিবেশের প্রচলন দেখতে চাই না। দলের মনোনয়নের জন্য আবেদন করব । ব্যালটে ভোট হলেও আমাদের কোন অসুবিধা নাই।

জুমঝর্ণা : জয়ের ব্যাপারে কেমন আশাবাদী।

আমির হোসেন : জয়ের ব্যাপারে ইনশাআল্লাহ শতভাগ আশাবাদী।

জুমঝর্ণা : মনোনয়নের ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী  ?

আমির হোসেন :তাও একশত ভাগ আশাবাদী।

জুমঝর্ণা : কিভাবে এত আশাবাদী হলেন ?

আমির হোসেন : আমি একজন সোশ্যাল ওয়ার্কার। সমাজকে আমি দিয়েছি এই জন্য সমাজ আমাকে দিবে। এই সূত্রে  আমি একশ  পার্সেন্ট আশাবাদী।

জুমঝর্ণা : আপনি জাতীয়তাবাদী দলের  প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন, দলের সভাপতিও । সভাপতি আমির হোসেন, ব্যাক্তি আমির হোসেন আর এক্স মেয়র আমির হোসেন কাকে বেশি জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মনে করেন ?

আমির হোসেন : সবমিলিয়ে ব্যাক্তি আমির হোসেন ই জনপ্রিয় কারণ ৩ টা পোস্ট ই আমি হোল্ড করি। তাছাড়া আমি চেয়ারম্যান ছিলাম মেয়র ছিলাম, আমার ব্যক্তিগত  যোগ্যতা ই  আমাকে পরিমাপের মাপকাঠি।

জুমঝর্ণা : লামার বিভিন্ন গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের কাছে নিজেকে কতটুকু গ্রহণযোগ্য মনে করেন ?

আমির হোসেন : সকল সম্প্রদায়কে আমি এক মনে করি, সকল সম্প্রদায় আমার কাছে সমান গ্রহণযোগ্য সুতরাং মনে করি তারাও আমাকে একই ভাবে গ্রহণ করে।

জুমঝর্ণা :বর্তমান মেয়র এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছে সুতরাং বাস্তবতার মোকাবেলায় আপনি কতটুকু পেরে উঠবেন বলে বিশ্বাস ?

আমির হোসেন : উন্নয়ন বলতে একজন সমাজকর্মী হিসাবে প্রতিটা ওয়ার্ডে  সব কাজ আমি করেছি  আমার পাঁচ বছরে উন্নয়ন আর ন্যায় বিচার প্রতিষ্টার জন্য আমি ভূমিকা রেখেছি ,প্রতিটা ওয়ার্ডে আমার উন্নয়নের স্বাক্ষর রয়েছে। তাছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। আমার পাঁচ বছরের উন্নয়ন  কোথাও দশ  বছরেও হয় নাই।

জুমঝর্ণা : আপনি একটা দলের সভাপতি। লামায় আপনার দলটা দ্বিধা বিভক্ত। বিভক্ত দলে আপনার নিজ দলের সমর্থকরাও ত  আপনার সমর্থনে না থাকার সম্ভাবনা সে ক্ষেত্রে…………….

আমির হোসেন : এটা মনোনয়নের ব্যাপার। মনোনয়ন পেলে সবাই রসুনের মত এক হয়ে যাবে। আমাদের মার্কটা পাওয়ার বাকি, ওটা পেয়ে গেলে সবাই একযোগে কাজ করবে। এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নাই।

জুমঝর্ণা : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

আমির হোসেন: আপনাকেও